Wednesday, July 24, 2024

ব্যাংকার থেকে প্রেসিডেন্ট

অর্থভুবন ডেস্ক

দুদিনের সফরে ঢাকায় আসছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। তার ও শেখ হাসিনার কয়েকটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করার কথা রয়েছে। এ ছাড়া শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেও উঠে আসবে ভূরাজনৈতিক বিষয়। মাখোঁ গত বছর দ্বিতীয়বারের মতো ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন। এক সময়ে ব্যাংকারের দায়িত্ব পালন করা এই রাষ্ট্রপ্রধানকে নিয়ে লিখেছেন তৃষা বড়ুয়া

বাংলাদেশ সফর

 

দুদেশের সম্পর্ক মজবুত করার লক্ষ্যে দুদিনের সফরে আজ ঢাকায় আসছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সফরকালে তিনি গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ব্যবসায়িক চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে পারেন। পাশাপাশি ভূরাজনৈতিক বিষয় নিয়েও আলোচনা করতে পারেন। সফরের সময় মাখোঁর ধানম-ি লেকে যাওয়ার কথা। সেখানে তিনি সংগীত উপভোগ করবেন। কূটনৈতিক এক সূত্র জানিয়েছে, ‘শিল্প ও সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত ফ্রান্স। বাংলাদেশ ও ফ্রান্স উভয় দেশের সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বেশ শক্তিশালী। আমি মনে করি, ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাখোঁর বাংলাদেশ সফর সাংস্কৃতিক সহযোগিতার অংশ।’ আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানাবেন। বিমানবন্দর থেকে মাখোঁ যাবেন হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আতিথেয়তায় আহার সেরে ধানমন্ডি লেকে যাবেন। পরের দিন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন মাখোঁ। বৈঠকে ইউরোপীয় বিমান উৎপাদনকারী কোম্পানি এয়ারবাস থেকে বিমান ক্রয়সহ কয়েকটি চুক্তিতে ফরাসি প্রেসিডেন্ট সই করতে পারেন বলে আরেকটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, গত বছরের নভেম্বরে শেখ হাসিনার ফ্রান্স সফরের সময় এয়ারবাস থেকে দুটো কার্গো ক্যারিয়ারসহ ১০টি বিমান কেনার বিষয়ে সম্মত হয়েছিলেন। ফ্রান্স থেকে দ্বিতীয় স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ কেনার বিষয়েও এবার ফ্রান্স ও বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনা হতে পারে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেছিলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সম্প্রতি জানানো হয়েছে, মাখোঁ-হাসিনা বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তন ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হতে পারে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষয়-ক্ষতির উদ্যোগ প্রণয়নের বিষয়ে ফ্রান্স গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। বাংলাদেশের মতো জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে অর্থ সহায়তার প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির উদ্যোগে আরও অবদান রাখতে বাংলাদেশ ফ্রান্সের প্রতি আহ্বান জানাবে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাখোঁ বাংলাদেশ সফরের আগে নয়াদিল্লিতে জি-২০ সম্মেলনে অংশ নেন। সেখানে তিনি দুদিন ছিলেন। ভারত সফরকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন মাখোঁ। এ ছাড়া ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো এবং সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি।

শৈশব

ইমানুয়েল মাখোঁ ফ্রান্সের ইতিহাসে প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান, ‍যিনি সমাজতন্ত্রী বা গোলিস্টদের সমর্থন ছাড়াই প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন। প্রথম নেপোলিয়নের পর তিনি ফ্রান্সের সর্বকনিষ্ঠ রাষ্ট্রপ্রধান। ২০১৭ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ের পর ২০২২ সালেও নির্বাচিত হন মাখোঁ। ১৯৭৭ সালে চিকিৎসক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মাখোঁ । তার পরিবারের সদস্য উদারপন্থি রাজনীতির সমর্থক ছিলেন। স্কুলে পড়ার সময় নিজেকে ব্যতিক্রমীভাবে প্রতিভাবান ছাত্র হিসেবে তুলে ধরেন মাখোঁ। স্কুলে থাকতেই নাটকের শিক্ষক ব্রিজিত থনিওর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। পরে ২০০৭ সালে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ২০০১ সালে প্যারিস ইনস্টিটিউট অব পলিটিক্যাল স্টাডিজ থেকে পাবলিক পলিসিতে মাস্টার্স করেন মাখোঁ। একই সময়ে প্যারিস নানতেরে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে মাস্টার্স করেন তিনি।

২০০৪ সালে ফ্রান্সের ইকোনমি ও ফিন্যান্স মন্ত্রণালয়ে ফিন্যান্স ইন্সপেক্টর হিসেবে যোগ দেন মাখোঁ। ২০০৮ সালে ওই চাকরি তিনি ছেড়ে দেন এবং বহুজাতিক ব্যাংক রথসচাইল্ড অ্যান্ড কো-এ যোগ দেন। মাখোঁ সরকারি চাকরি যখন ছেড়েছিলেন, সে সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হন নিকোলা সারকোজি। এরপর আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মাখোঁ। ওই সময় বেশ ধন-সম্পদের মালিক হন তিনি। মাখোঁর দাবি, ২০১০ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১২ সালের মে পর্যন্ত দুই মিলিয়ন ইউরো আয় করেন তিনি। অন্যদিকে আনুষ্ঠানিক নথি বলছে, ২০০৯ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে প্রায় তিন মিলিয়ন ইউরো উপার্জন করেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। ২০১২ সালে রথসচাইল্ড অ্যান্ড কো ছেড়ে দেন তিনি।

রাজনীতিতে পা

তরুণ বয়সে দুই বছর ফ্রান্সের রাজনৈতিক দল সিটিজেন অ্যান্ড রিপাবলিকান মুভমেন্টের জন্য কাজ করেন মাখোঁ। তবে তিনি কখনো রাজনৈতিক দলটির সদস্য পদের জন্য আবেদন করেননি। সিটিজেন অ্যান্ড রিপাবলিকান মুভমেন্টের নেতা জর্জেস সারের সহকারী ছিলেন মাখোঁ। সে সময় তিনি প্যারিস ইনস্টিটিউট অব পলিটিক্যাল স্টাডিজের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বয়স যখন ২৪, তখন তিনি ফ্রান্সের সোশ্যালিস্ট পার্টির সদস্য হন। ২০০৬ সালে যুক্তরাজ্যে ফরাসি রাষ্ট্রদূত জন পিয়ের জয়েতের মাধ্যমে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় মাখোঁর। ২০০৭ সালে সোশ্যালিস্ট পার্টির হয়ে আইনসভা নির্বাচনে ফ্রান্সের পিকার্ডি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার চেষ্টা করেন মাখোঁ। তবে তার আবেদন বাতিল করা হয়। ২০১০ সালে ফ্রান্সের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া ফিলনের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হওয়ার সুযোগ পান মাখোঁ। অবশ্য সে সুযোগ প্রত্যাখ্যান করেন তিনি। ২০১৪ সালে ফ্রান্সের অর্থনীতি ও শিল্পমন্ত্রী হন মাখোঁ। ২০১৬ সাল পর্যন্ত ওই পদে ছিলেন তিনি।

বিক্ষোভ

২০১৭ সালের ৭ মে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর বেশ কয়েকটি বিক্ষোভ হয় ফ্রান্সে। এসব বিক্ষোভ মূলত শ্রমিক সংগঠন অ্যাক্টিভিস্ট, বামপন্থি রাজনৈতিক কর্মী ও ডানপন্থি রাজনৈতিক কর্মীরা ডেকেছিলেন। নয়া উদারনীতি ও বিশ্বায়নের বিরুদ্ধে ফ্রান্সে যেমন আন্দোলন হয়, তেমনি মাখোঁর শ্রম আইন সংস্কারের বিরুদ্ধে রাজপথে বিক্ষোভে নামে মানুষ। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০১৫ সালে প্যারিসে উগ্রপন্থিদের সন্ত্রাসী হামলার পর জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে ফরাসি কর্র্তৃপক্ষ। ২০১৭ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি ছিল। ২০১৭ সালে মাখোঁর প্রেসিডেন্ট হিসেবে জয়ী হওয়ার ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর প্যারিসে ফরাসি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে শ্রমিকদের। তাদের আশঙ্কা ছিল, মাখোঁর অর্থনৈতিক কর্মসূচি শ্রমিকদের অধিকার কেড়ে নেবে। সোশ্যাল ফ্রন্ট ওই বিক্ষোভ আয়োজন করেছিল। সাড়ে নয়শ থেকে দেড় হাজার মানুষ সে সময় রেলস্টেশনের মতো সরকারি স্থাপনাগুলো দখল করেছিল। পুলিশ কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ও ব্যাপক মাত্রায় ভাঙচুরের খবর প্রকাশিত হলে প্রায় দেড়শ বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমবারের মতো ফ্রান্স সফরে গেলে ব্যাপক বিক্ষোভ হয় ফ্রান্সে। সমাজতন্ত্রী, ফিলিস্তিনপন্থি সংগঠন, অভিবাসী শ্রমিক অ্যাক্টিভিস্ট, পরিবেশবাদী ও ফ্যাসিস্টবিরোধীরা মূলত বিক্ষোভের নেতৃত্বে ছিল। অবশ্য প্রতিবাদ-বিক্ষোভ সত্ত্বেও ৫৯ শতাংশ ফরাসি ট্রাম্পের সফরের পক্ষে ছিলেন। এ ছাড়া এলজিবিটি অ্যাক্টিভিস্টরাও মাখোঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নামেন। ‘মাখোঁ অভিবাসী, এলজিবিটি সম্প্রদায়ের মানুষদের অনাহারে রেখেছেন’ লেখা প্ল্যাকার্ড সে সময় প্যারিসের রাস্তায় দেখা যায়।

ভালো-মন্দ

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডেনিয়েলা ক্যালিনিচ বলেন, ‘২০২২ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ফ্রান্সের বিশাল অংশের মানুষ নির্বাচন নিয়ে অনাগ্রহী ও বিরক্ত ছিলেন। নির্বাচন নিয়ে বা নিজেদের ভোট নিয়ে তাদের মধ্যে কোনো আলোড়ন ছিল না। পাঁচ বছর আগে ফ্রান্সের রাজনৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে দেশটির জনগণের পুনর্মিলন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন মাখোঁ। ফরাসি জনগণকে আশা দেখিয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সেই আশা কি পূরণ করতে পেরেছিলেন মাখোঁ? ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইউরোপকে উন্নত করতে চেয়েছিলেন। ফরাসি রিপাবলিক ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে চেয়েছিলেন। সামাজিক অভাব দূর করতে চেয়েছিলেন। সেকেলে সামাজিক-রাজনৈতিক আইন সংস্কার করতে চেয়েছিলেন। দেশের অর্থনীতিকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে চেয়েছিলেন। মাখোঁ দেশে ও দেশের বাইরে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে সফল। এমনকি ফ্রান্সের রক্ষণশীল ও বাম ঘরানার সঙ্গেও দূরত্ব কমান তিনি। এই অর্জন সত্ত্বেও মাখোঁ আমলের বিভিন্ন ঘটনা তার রাজনৈতিক এজেন্ডায় প্রভাব ফেলে। ফলে অনেক কিছু পরিবর্তন বা খাপ খাইয়ে নিতে বাধ্য হন তিনি। এসব ঘটনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলন, শিক্ষক স্যামুয়েল পেটির ওপর হামলা ও করোনাভাইরাস মহামারী।’ তিনি বলেন, ‘ক্ষমতায় বসার পর একের পর এক আন্দোলন মাখোঁকে বাধ্য করে সামাজিকভাবে অনগ্রসরদের নিয়ে কড়া সমালোচনার পথ থেকে সরে দাঁড়াতে। তিনি তাদের জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নেন। সর্বনিম্ন মজুরি বৃদ্ধি করেন। পেনসন রিলিফ ও ট্যাক্স ফ্রি ওভারটাইমের ব্যবস্থা করেন। ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলন ফ্রান্সের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি সামাজিক সংস্কারের পথও প্রশস্ত করে, যা একপর্যায়ে মাখোঁর জনসমর্থন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ধনীদের ওপর কর বাতিল ও করপোরেট কর কমানোরও সিদ্ধান্ত নেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। একপর্যায়ে মাখোঁ নিজেকে মধ্য থেকে ডান অবস্থানে নিয়ে যান। বামপন্থি ভোটাররা তার কর্মসূচিকে নয়া উদারবাদ ও অসামাজিক হিসেবে দেখেন। যদিও মাখোঁর অর্থনৈতিক পদক্ষেপ ফরাসি জনগণের বড় অংশের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। তবে ফ্রান্সের সবচেয়ে অনগ্রসর অংশ মাখোঁর অর্থনৈতিক পদক্ষেপে খুব কমই লাভবান হয়। একটি জরিপে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারীদের প্রায় অর্ধেক মনে করেন, মাখোঁর আমলের শুরুর সময়ের তুলনায় ফ্রান্সের বর্তমান পরিস্থিতি খারাপ।’ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি খারাপ সত্ত্বেও মাখোঁকে দ্বিতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করে ফরাসি জনগণ।

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, পরিসংখ্যানগতভাবে ফ্রান্সের মানুষের জীবনযাত্রার মান বেড়েছে। বেকারত্ব বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে বেকারত্ব কমেছে। দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ, যা ৫০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। করোনাভাইরাস মহামারীর প্রাদুর্ভাব অবশ্য মাখোঁর বেশ কিছু অর্থনৈতিক পদক্ষেপের গতি ধীর করে দেয়। যেমন পেনশনের সংস্কার কাজ স্থগিত হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে করোনাভাইরাস-পরবর্তী নাজুক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বেকারত্বকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপকেও সাময়িকভাবে স্থগিত করে। এসব পদক্ষেপ এখন কার্যকর করা হচ্ছে।

 
 
spot_imgspot_img

ইস্ট আম্বার চাল সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক

বর্ষার সময় বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে আদি চালের বাইরে সাদা সাদা ইস্ট জমে। এটা মূলত প্রাকৃতিক ইস্ট। যা পাউরুটিকে নরম তুলতুলে...

দক্ষ জনশক্তি গড়তে ১১৭ কোটি টাকা দিল কোইকা

নিজস্ব প্রতিবেদক,অর্থভুবন দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে বাংলাদেশকে ১১৭ কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা দিয়েছে কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোইকা)। গতকাল বুধবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান...

বাকিংহাম প্যালেস : এবার ব্যালকনির পেছনের ঘরটি দেখার সুযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক,অর্থভুবন বিশেষ বিশেষ দিনে বা ঘটনার ক্ষেত্রে বাকিংহাম প্যালেসের ব্যালকনি থেকে দেশবাসীর সামনে দেখা দিয়ে থাকেন রাজা বা রানিসহ ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্যরা। সে কারণে...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here