Friday, June 21, 2024

হামাসের হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ কে এই মোহাম্মদ দেইফ

অর্থভুবন ডেস্ক

ইসরায়েলের গর্ব করার মতো নিরাপত্তাব্যবস্থাকে ধসিয়ে দিয়ে গত শনিবার সেখানে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ফিলিস্তিনের সংগঠন হামাস। সম্ভাব্য কঠোর পরিণতি জানা সত্ত্বেও এ হামলা চালিয়ে শুধু ইসরায়েল নয়, পুরো বিশ্বকে হতবাক করে দিয়েছেন হামাসের সদস্যরা। ইসরায়েল বলছে, হামাসের এ হামলা অনেকটা ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে বিশ্ববাণিজ্য কেন্দ্রের জোড়া ভবনে আল–কায়েদার হামলার মতো।

হামলার পর অনেকরই প্রশ্ন—সীমিত সক্ষমতা নিয়ে এত বড় পরিসরে হামলা কীভাবে চালাল হামাস? সংগঠনটির শক্তিমত্তা আসলে কোথায়? এ হামলার মূল পরিকল্পনাকারী বা মাস্টারমাইন্ড আসলে কে?

শনিবারের হামলাকে আল–আকসার বন্যা বা আল–আকসা ফ্লাড বলে উল্লেখ করেছে হামাস। ইসরায়েলের ভূখণ্ডে মাত্র ২০ মিনিটে হামাসের হাজার পাঁচেক রকেট নিক্ষেপের পরপরই একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। এতে কথা বলতে শোনা যায় হামাসের কমান্ডার মোহাম্মদ দেইফকে। ইসরায়েলের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। দেইফ বলেন, এ হামলার মধ্য দিয়ে জেরুজালেমে আল–আকসা প্রাঙ্গণে ইসরায়েলের অভিযানের প্রতিশোধ নেওয়া হচ্ছে।

মক্কা ও মদিনার পর আল–আকসা মুসলিমদের কাছে সবচেয়ে পবিত্র জায়গা। ২০২১ সালের মে মাসে আল–আকসায় অভিযান চালায় ইসরায়েল। হামাসের সূত্র জানায়, ওই হামলায় ১ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষের প্রাণ গিয়েছিল। তখন থেকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়া পরিকল্পনা করছিলেন দেইফ।  

হামাসের ওই সূত্র জানায়, পবিত্র রমজান মাসে টানা ১১ দিনের লড়াইয়ে আল–আকসায় প্রাঙ্গণে তরুণ–বয়স্কদের হত্যা করা হয়েছিল। ওই ঘটনা ফিলিস্তিনিদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সঞ্চার করে। প্রতিশোধের আগুন উসকে দেয়। দুই বছরের বেশি সময় পর এসে ওই ঘটনার প্রতিশোধ নিয়েছে হামাস।

হামাসের কমান্ডার দেইফকে হত্যা করতে সাতবার চেষ্টা চালিয়েছে ইসরায়েল। সর্বশেষ চেষ্টাটি ছিল ২০২১ সালে। তবে প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছে। দেইফ সচরাচর প্রকাশ্যে আসেন না, কথা বলেন না। গত শনিবার হামাস–নিয়ন্ত্রিত টিভি চ্যানেলে যখন ঘোষণা দেওয়া হয় যে মোহাম্মদ দেইফ কথা বলবেন; তখন ফিলিস্তিনিরা বুঝে গিয়েছিলেন, নিশ্চয়ই গুরুত্বপূর্ণ কিছু একটা ঘটেছে।

১৯৭৩ সালে আরব–ইসরায়েল যুদ্ধে পর আর কখনোই ইহুদি রাষ্ট্রটিকে নিজেদের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে এতটা চ্যালেঞ্জ ও উদ্বেগের মুখে পড়তে হয়নি। শনিবারের হামলায় প্রাণ গেছে ১ হাজার ২০০ ইসরায়েলির।

শুরুতে কিছুটা হকচকিত হয়ে পড়লেও দ্রুত ফিলিস্তিনের গাজায় পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েল। দেশটি আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণা করে হামাসের বিরুদ্ধে। সেই থেকে গাজায় মুহুর্মুহু হামলা চালানো হচ্ছে। এসব হামলায় গাজায় ধসে পড়ছে একের পর এক স্থাপনা। দেখা দিয়েছে মানবিক সংকট। প্রাণ গেছে নারী ও শিশুসহ ৯০০–এর বেশি মানুষের। যুদ্ধ শুরুর পর গাজাকে কার্যত অবরোধ করে রাখা হয়েছে।

spot_imgspot_img

ইতালিপ্রবাসীদের জন্য সুখবর দিল ভিএফএস

ভিএফএস গ্লোবালের অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে ভিএফএস গ্লোবাল। এবার তারা ইতালিপ্রবাসীদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে। ভিএফএস তাদের নিজস্ব ফেসবুক পেজের মাধ্যমে...

জেলখানার চিঠি বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস  কয়েদি নং: ৯৬৮ /এ  খুলনা জেলা কারাগার  ডেথ রেফারেন্স নং: ১০০/২১ একজন ব্যক্তি যখন অথই সাগরে পড়ে যায়, কোনো কূলকিনারা পায় না, তখন যদি...

কর্মসৃজনের ৫১টি প্রকল্পে নয়ছয় মাগুরায়

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি) আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ের ৫১টি প্রকল্পের কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পে হাজিরা খাতা না...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here