Saturday, June 22, 2024

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এক্সন মবিলকে দরপত্রে অংশ নিতে বললেন

যুক্তরাষ্ট্রের কম্পানি এক্সন মবিল বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রের ১৫টি ব্লকে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে আগ্রহ দেখিয়ে গত বছর দুই দফায় প্রস্তাব পাঠিয়েছিল। এবার তাদের প্রস্তাব নিয়ে মার্কিন বহুজাতিক কম্পানিটির একটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় এসেছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে বঙ্গোপসাগরে ব্লক বরাদ্দ এবং নানা বিষয় নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের সঙ্গে বৈঠক করেছে তারা। এ সময় জ্বালানিসচিব মো. নূরুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গভীর সমুদ্রের ১৫টি ব্লকে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে এক্সন মবিল কাজ করতে চায়। আমরা তাদের বলেছি দরপত্রে অংশ নিতে। মার্কিন কম্পানি দরপত্রে অংশ নেবে কি না এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক কিছু জানায়নি। পরবর্তী সময়ে তারা জানাবে।
 
জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সরকার দরপত্র ছাড়া বিশেষ বিধানের আওতায় কোনো কম্পানিকে সমুদ্রের ব্লকে কাজ দিতে আগ্রহী নয়। এক কম্পানিকে দুই থেকে চারটির বেশি ব্লক দিতে চায় না সরকার।

সমুদ্রে ২৬টি ব্লক বরাদ্দ দিতে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানের সব কাজ শেষ করেছে পেট্রোবাংলা। সংস্থাটির চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকার বলেন, ‘আগামী মাসের মধ্যে দরপত্রটি ছাড়া হবে।

 
সময় দেওয়া হবে ছয় মাস।’

 

এদিকে আন্তর্জাতিক কম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করতে এরই মধ্যে উৎপাদন অংশীদারি চুক্তির (পিএসসি) সংশোধন করা হয়েছে। গত বছরের জুলাইয়ে মডেল পিএসসিসহ অন্যান্য কার্যক্রমে অনুমোদনও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে গত বছরের মার্চে প্রথম আগ্রহ প্রকাশ করে এক্সন মবিল। ওই সময় তারা গভীর সমুদ্রের ১৫টি ব্লক ইজারা চেয়েছিল।

 
গত ১৬ জুলাই আরেকটি চিঠি দেয় মার্কিন কম্পানিটি। সেই চিঠিতে ২৫ থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলার গভীর সমুদ্রে বিনিয়োগের প্রস্তাবও দেওয়া হয়।

 

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরের অগভীর ও গভীর অংশকে মোট ২৬টি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে অগভীর অংশে ব্লক ১১টি। আর গভীর সমুদ্রে ব্লক ১৫টি। অগভীর ব্লকে পানির গভীরতা ২০০ মিটার পর্যন্ত। এরপর গভীর সমুদ্র ব্লক। বিদেশি কম্পানিকে ব্লক ইজারা দেওয়ার পর তারা সেখানে গ্যাস আবিষ্কার করে। কিন্তু গ্যাসের মূল্য তাদের কম দিয়েছে বাংলাদেশ এই অজুহাতে তারা বাংলাদেশ ছেড়েছে। অথচ এসব গ্যাস উত্তোলন করা গেলে বিদেশ থেকে অতিরিক্ত দামে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করার দরকার হতো না। এখন টিকে আছে শুধু ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ওএনজিসি বিদেশ লিমিটেড (ওভিএল)। প্রতিষ্ঠানটি অগভীর সমুদ্রের ৪ নম্বর ব্লকে কাঞ্চন নামের এলাকায় অনুসন্ধান কূপ খনন করে গ্যাস পায়নি। পরে আরেকটি কূপ খননের কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, নতুন মডেল পিএসসি অনেকটা ভিন্ন। ২০১৯ সালের মডেল পিএসসি অনুযায়ী, অগভীর ও গভীর সমুদ্রের প্রতি হাজার ঘনফুট গ্যাসের দাম যথাক্রমে ৫.৬ ও ৭.২৫ ডলার। সংশোধিত পিএসসিতে প্রতি হাজার ঘনফুট গ্যাসের দাম ধরা হয়েছে ব্রেন্ড ক্রুডের ১০ শতাংশ দরের সমান। অর্থাৎ বিশ্ববাজারে ক্রুডের দাম ১০০ ডলার হলে গ্যাসের দাম হবে ১০ ডলার।

 
 
spot_imgspot_img

ইতালিপ্রবাসীদের জন্য সুখবর দিল ভিএফএস

ভিএফএস গ্লোবালের অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে ভিএফএস গ্লোবাল। এবার তারা ইতালিপ্রবাসীদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে। ভিএফএস তাদের নিজস্ব ফেসবুক পেজের মাধ্যমে...

জেলখানার চিঠি বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস  কয়েদি নং: ৯৬৮ /এ  খুলনা জেলা কারাগার  ডেথ রেফারেন্স নং: ১০০/২১ একজন ব্যক্তি যখন অথই সাগরে পড়ে যায়, কোনো কূলকিনারা পায় না, তখন যদি...

কর্মসৃজনের ৫১টি প্রকল্পে নয়ছয় মাগুরায়

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি) আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ের ৫১টি প্রকল্পের কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পে হাজিরা খাতা না...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here